Home arrow Hon'ble PM's Speech arrow Other Speeches arrow President's Parade of 63rd BMA Long Course [December 22, 2010]
Print
 

৬৩তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্স¾শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ

ভাষণ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা

চট্টগ্রাম, বুধবার, ০৮ পৌষ ১৪১৭, ২২ ডিসেম্বর ২০১০


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সহকর্মীবৃন্দ

কূটনীতিকবর্গ,

তিন বাহিনীর প্রধানগণ,

উর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ,

প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটবৃন্দ,

অভিভাবকগণ এবং সুধিমন্ডলী।

সসালামু আলাইকুম।

শীতের এই মনোরম সকালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে আয়োজিত আজকের এ বর্ণাঢ্য রাষ্ট্রপতি প্যারেডে উপস্থিত সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

বিজয়ের এই মাসে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং ২-লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে যাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতীয় চার-নেতাকে। আমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি।  

দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখন্ডতা রক্ষায় এবং বিদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে সকল অকুতোভয় বীরসেনানী শাহাদতবরণ করেছেন তাঁদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

আমি মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে শহীদদের পবিত্র আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

সুধিমন্ডলী,

স্বাধীনতা লাভের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি দক্ষ সশস্ত্রবাহিনী গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৭৪ সালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির উদ্বোধন করেন। ১৯৭৫ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্রথম ব্যাচের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিটি ক্যাডেটকে পেশাগতভাবে দক্ষ, নৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন ও দেশপ্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার আহবান জানিয়েছিলেন।

প্রিয় ক্যাডেটবৃন্দ,

জাতির পিতার সেই দিকনির্দেশনায় অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ বিদেশে সুনাম অর্জন করে আজকের এ গৌরবময় অবস্থানে পোঁছেছে।

            আমি নিজেও সশস্ত্রবাহিনী পরিবারের একজন সদস্য। আমার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল নিয়মিত বাহিনীর সদস্য হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। আমার আরেক ভাই শহীদ লেঃ শেখ জামাল রয়েল একাডেমি, স্যান্ডহার্টস থেকে কমিশন লাভ করে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিল। আমার সর্ব কনিষ্ঠ ভাই শহীদ শেখ রাসেলেরও ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে সে সেনাবাহিনীতে যোগ দিবে।

তাঁরা আজ আমাদের মাঝে নেই। আমি তোমাদের মাঝে আমার ভাইদের মুখচ্ছবি দেখতে পাই। তোমরা যেন আমারই ভাই ও বোন, আমারই পরিবারের সদস্য।

             আমি জেনে খুশি হয়েছি যে, দক্ষ, চৌকস এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত দেশপ্রেমিক যোগ্য নবীন সেনা নেতৃত্ব গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির পাঠ্যসূচিতে বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পটভূমিসহ বাংলাদেশের সংবিধান নতুন করে সংযোজিত হয়েছে।

পাশাপাশি জাতির পিতার ১৯৭৫ সালের ১১ই জানুয়ারির দিক-নির্দেশনামূলক ভাষণকে নবীন সেনা নেতৃত্ব তৈরির জন্য ক্যাডেটদের পাঠ্যসূচির কমান্ড লিডারশিপ এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির নতুন পাঠ্যসূচিতে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি- আইসিটি নামে একটি নতুন বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ভাষা গবেষণাগার ও লাইব্রেরিকে ডিজিটালাইজড করা হয়েছে।

            জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন একটি সুখী ও সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়তে। জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলোকে সকল ধর্মের ক্যাডেটদের ধর্মীয় মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির নতুন পাঠ্যসূচি প্রণীত হয়েছে। এজন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সুধিবৃন্দ,

            সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জন্মলাভ করেছে। এ বাহিনী আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

ইতোমধ্যে আমরা সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যগণের রেশন ও বেতন কাঠামোতে সমতা এনেছি। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পারিবারিক অবসর ভাতা প্রদান করছি। সেনা সদস্যদের আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আধুনিক ও উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে একটি যুগোপযোগী সেনাবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির আধুনিকায়নের জন্য গত বছর আমরা বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি।

প্রায় ২৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এ কমপ্লেক্সটির ১০-তলা বিশিষ্ট টুইন টাওয়ারে ক্যাডেটদের ইনডোর প্রশিক্ষণের জন্য সকলপ্রকার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। এ কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ ২০১৩ সালের জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আমরা সশস্ত্রবাহিনীকে আধুনিক করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম। সেনাবাহিনীতে নতুন ইউনিট গঠনসহ পেশাগত উচ্চ শিক্ষার জন্য ১৯৯৯ সালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

         বিমান বাহিনীর জন্য মিগ-২৯ ক্রয়, নৌ বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক ফ্রিগেট বিএনএস-বঙ্গবন্ধু'র সংযোজনসহ পেশাগত মানোন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।

প্রিয় প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ,

            দেশ সেবার মহান ব্রত নিয়ে তোমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছ। প্রশিক্ষণ শেষে আগামীকাল হতে তোমরা হতে যাচ্ছ এক-একজন সুদক্ষ সামরিক অফিসার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তোমাদের উপর অর্পিত হবে। সে লক্ষ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী ও নেতৃত্বদানের কৌশল তোমাদেরকে আয়ত্ব করতে হবে।

জাতির পিতার ১১ই জানুয়ারির দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের বিষয়বস্ত্ত তোমাদের জন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির নতুন প্রশিক্ষণসূচির অধীনে প্রশিক্ষিত আগামীদিনের নবীন অফিসারগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সঠিক নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম হবে। স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় তোমরা আত্মনিয়োগ করবে, ইনশাআল্লাহ।

প্রিয় প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ,

            আজকের দিনটি তোমাদের জীবনে অত্যন্ত আনন্দময় এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আনন্দময় এ জন্য যে দীর্ঘ দিনের কঠোর প্রশিক্ষণের পর কমিশন লাভ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত অফিসার হিসেবে তোমরা আজ কর্মজীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছ।

তোমাদের ওপর অর্পিত হচ্ছে দেশমাতৃকার মহান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে তোমাদের সদা প্রস্ত্তত থাকতে হবে। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষাই হবে তোমাদের জীবনের প্রথম ও প্রধান ব্রত।

বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিশীল, উন্নয়নকামী এবং শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সর্বাধিক জনবল নিয়োগের মাধ্যমে আমাদের দেশ বিশ্বশান্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফোরামে নিজেকে মর্যাদার আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছি। তোমাদের এ অবস্থান সমুন্নত রেখে আরও সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

মনে রাখবে, তোমরা এদেশের জনগণেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তোমরা সকলেই সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সমান অংশীদার। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯৭ সালে আমরা যে শান্তিচুক্তি করেছিলাম তার সফল বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার। দেশের সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুঃসময়ে বরাবরই আমাদের সেনাবাহিনী বিপন্ন মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছে।

এছাড়াও বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তার কাজে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বল্প সময়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ছবিযুক্ত ভোটার আইডি কার্ড প্রণয়নে সশস্ত্রবাহিনীর কার্যক্রম দেশে ও বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বর্তমানে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ও মেশিন রিডেবল ভিসা তৈরির দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এভাবেই জনগণের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌত্ব রক্ষার পাশাপাশি মানুষের সেবায় তোমরাও ব্রতী হবে - আজকের এ শুভ দিনে এটাই আমাদের ঐকান্তিক কামনা।

সুধি,

            আমরা যখনই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করি, আমরা সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য কাজ করি।

            বিগত প্রায় ২ বছরে আমরা কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, রাস্তাঘাট তৈরি, অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্য-প্রযুক্তিসহ সামাজিক উন্নয়ন খাতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছি।

            ইতোমধ্যেই ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়েছে। ৩০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ চলছে এবং ১০টির কার্যাদেশ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সারের দাম ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ২২ টাকা করা হয়েছে। কৃষি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং কৃষকের জন্য ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

            সারাদেশে ১০ হাজার কম্যুনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। চার হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে ৫ হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

            রপ্তানি আয় এবং রেমিটেন্স বৃদ্ধির ফলে রেকর্ড ১০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গড়ে উঠেছে।

ঢাকায় গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভার, কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ চলছে। এয়ারপোর্ট থেকে মাওয়া পর্যন্ত এলিভেটেট এক্স্রপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজও খুব শিগগিরই শুরু হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য আগামী মাসে চুক্তি স্বাক্ষর হবে এবং মার্চ মাসের মধ্যেই মূল সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ।

            বিদেশে বাংলাদেশের ইমেজ আমরা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। এ বছর শিশুমৃত্যুর হার কমানোর জন্য এমডিজি পুরস্কার অর্জন করেছি।

উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ,

            তোমাদের চৌকস ও বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ আমাকে মুগ্ধ করেছে। এজন্য তোমাদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। নবীন নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং আজকের প্যারেডকে সামগ্রিকভাবে সুন্দর, উপভোগ্য ও উৎসবমুখর করার জন্য আমি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্টসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

প্রশিক্ষণে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য, ‘সোর্ড অব অনার' বিজয়ী ক্যাডেটকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আজকের এ কুচকাওয়াজে উপস্থিত সুধী দর্শকদেরও আমি অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আমি সকলের সুখ ও সমৃদ্ধি ভবিষ্যত কামনা করছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাক- এ কামনা করছি। সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলের সহায় হোন।

খোদা হাফেজ।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী চিরজীবী হোক।

.....

 

Press Briefing

Press Release

Contact Info

Contact
Prime Minister's Office
Old Sangsad Bhaban
Address:  Tejgaon, Dhaka-1215
                    Bangladesh
E-mail:   This e-mail address is being protected from spam bots, you need JavaScript enabled to view it